মেনু নির্বাচন করুন

দর্শনীয় স্থান

 

১। শ্রীশ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দির, ধনপতিখোলা।

শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ  মন্দির

 শত বছরের কাল পরিক্রমায় বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নস্থিত ধনপতিখোলা গ্রামে শ্রীশ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দির রয়েছে। এই মন্দিরে প্রতি বছর বুদ্ধ পুর্ণিমাতে মহাসমারোহে তিন দিনব্যাপী বিভিন্ন  পুজা ও অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। এ পুজানুষ্ঠানের  মধ্যে রয়েছে— প্রথম দিন অধিবাস ও সমবেত উপাসনা। দ্বিতীয় দিন উষালগ্নে মঙ্গল আরতি, প্রভাতী শিবসঙ্গীত, শিবপূজা, বিষ্ণুপূজা, গুরুপূজা, সপ্তসতী চণ্ডী পাঠ, পুষ্পাঞ্জলি ও দুপুরে মহাপ্রসাদ বিতরণ। বিকালে ধর্মসভা ও বিশ্বশান্তিকল্প্পে সমবেত প্রার্থনা এবং রাতে স্মৃতি মন্দিরে মহাশক্তির পূজা ও সমবেত প্রার্থনা। তৃতীয় দিন শীতলা দেবীর পূজা ও হোম। এ উপলক্ষে কুমিল্লা, ব্রাহ্মনবাড়িয়া, সিলেট, ঢাকা ও নারায়নগঞ্জ জেলা সহ  বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে  শুভাগমন ঘটে।

যাতায়াত - কোম্পানীগঞ্জ থেকে সিএনজি/অটোরিক্সা যোগে নবীনগর রোডে চাপিতলা দিয়ে বিষ্ণুপুর হয়ে আসা যায়।

ভাড়ার হার- ৩0 -৪০ টাকা। (জনপ্রতি)

 

২। হযরত লাল মোহাম্মদ পাগল শাহ এর মাজার শরিফ দিঘীড়পাড়।

লাল মোহাম্মদ পাগল শাহ মাজার শরিফ

সুদুর সৌদি আরব থেকে ৩৬০ মতান্তরে ৩৫০ জন আওলিয়া মুরাদনগরের বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের এলাকায়  ইসলাম প্রচারের জন্য আগমন করে। তাদের মধ্য থেকে হযরত লাল মোহাম্মদ পাগল শাহ দিঘীরপাড় গ্রামে আসেন এবং এখানেই তিনি ইসলাম ধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটান। যার নির্দশন এখনকার এই মাজার।  প্রতি বছর এই মাজারে বিভিন্ন বার্ষিক ওরশ ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এখানে লোকজন আসে।

যাতায়াত - কোম্পানীগুঞ্জ থেকে সিএনজি/অটোরিক্সা যোগে নবীনগর রোডে  চাপিতলা দিয়ে বিষ্ণুপুর হয়ে দিঘীরপাড় লাল মোহাম্মদ পাগল শাহ মাজারে আসা  যায়। মাজারে আসা যায়।

ভাড়ার হার-  ৪০-৫০ টাকা। (জনপ্রতি)